Ticker

6/recent/ticker-posts

জীবনে বলার মত একটা গল্প থাকা দরকার।

https://www.dxnarabia.com/pws/819584537  

জীবনে বলার মত একটা গল্প থাকা দরকার



। ফেজবুক ইউটিউব ও ইন্টারনেটে পেয়ে যাবেন, এমন একজন সফল মানুষ এর গল্প ।

একজন Dxn ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসম্যান, ও একজন ইন্টারন্যাশনাল স্পিকার, এবং একজন ইন্টারন্যাশনাল লিডার,, 

 আলাউদ্দিন সুমন  

https://eworld.dxn2u.com/s/accreg/en/819584537

 
Dxn great leader Alauddin t Sumon, 
 

https://www.dxnarabia.com/pws/819584537

আজ থেকে ১৫ বছর আগে যখন মানুষ ক্যারিয়ার কিংবা খন্ডকালীন জব নিয়ে অতটা সচেতন ছিল না, তেমন সময়ে আলাউদ্দিন সুমন স্যার  Dxn  জয়েন্ট করেন। সময়ের বিবর্তনে নানাবিধ প্রতিকূল অবস্থা মোকাবিলা করে আজকের অবস্থায় পৌঁছেছেন। তারই ক্যারিয়ারের বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিকগুলো জানার চেষ্টা করেছি এই সাক্ষাতকারের মাধ্যমে, সাক্ষাতকারটি হলো,জুম মিটিং এপ্স এর মাধ্যমে, মেসেঞ্জার ফেজবুক, বিভিন্ন মিটিং এর মাধ্যমে 

আর সাক্ষাতকারটি থেকে সকল তথ্য সংগ্রহ করছি,,আমি মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন

↓ গল্প টা সম্পুর্ন আলাউদ্দিন সুমন স্যার এর গল্প,,,



https://www.dxnarabia.com/pws/819584537

প্রশ্নঃ ১। আপনার ক্যরিয়ারের শুরুর দিকের গল্পটা শুনতে চাচ্ছিলাম?


উত্তরঃ আমি গ্রামের করপাড়া নুরে মদীনা মাদ্রাসা  থেকে ২০০২ সালো দাখিল পরিক্ষা সম্পুর্ণ করি,

এবং পরবর্তীতে টংগী কলেজ এই এডমিশন নিয়ে ভর্তি হওই,,

এবং ঢাকা টংগীতে একটি কাপড়ের ব্যবসা শুরু করি,আর এইটা আমার  জীবনের প্রথম  ব্যবসা। আর এই ব্যবসা আমি ব্যর্থ হই, প্রথম জীবনের এই ব্যর্থতাগুলোকেই আমি আমার ক্যরিয়ারের চ্যলেন্স হিসাবে নিলাম,,


এবং জীবিকার তাগিদে ২০০৩ এর ডিসেম্বর মাসের ২৬ তারিখ প্রবাসে আসলাম,একজন শ্রমিক হিসাবে,, কিন্তু প্রবাস থেকে ফিরলাম আমি একজন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসম্যান হিসাবে,, I love dxn I love Dr:Lim 


প্রশ্নঃ ২।উদ্যোক্তা হওয়ার চিন্তা কীভাবে মাথায় আসে?


উত্তরঃ হঠাৎ আমার দাঁতে খুব ব্যাথা করতেছি  ।আমি অনেক ডাঃ এর কাছে থেকে মেডিসিন নিয়েছি কিন্তু সমস্যা সমাধান হয়নি । তখন  আমার সাথে একজন ভাই এর পরিচয় হয়,,তিনি বলেন এক ভাই এর কাছে একটি টুথপেষ্ট আছে, মালেশিয়ার পণ্য ইউজ করে দেখতে পারেন, তখন যাওয়ার পরে ভাইটা আমাকে বললে আচ্ছা যদি এই টুথপেষ্ট দিয়ে আপনার সমস্যা সমাধান হয়,তখন আপনি কি করবেন,, আমি বলি তাহলো আমি সব সময় এই টুথপেষ্ট টা ইউজ করবো,,তখন উনি আবার বললো, এর পর কি করবেন, আমি বললাম আমার বন্ধু ও রিলেটিভ যারা আছে তাদের সাথে শেয়ার করবো,,উওরে তিনি এইটা করেই কিন্তু আপনি একজন উদ্যক্তা ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসম্যান হইতে পারবেন,,৷ আমি অবাক উনার কথা শুুনে কিভাবে সম্ভব,। কিন্তু তখন আমি সৌদিআরব একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিতে

চাকরি  করিতেছি, কিন্তু তখন আমার নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা ছিলো, এবং এই কম্পানি  বিভাগীয় পর্যায়ে চাকরিরত অবস্থায় অন্য বিভাগগুলোতে কাজ করার সুযোগ নেই বললেই চলে। তাই ভেবে দেখলাম সবগুলো সপ্ন পুরন ফ্রীড্রম লাইফ ইনজয় করতে হলে অন্যের কোম্পানিতে কাজ করা যাবে না,এবং এই কম্পানিতে  ২০/৩০ বছর আগে আশা লোক গুুলি এখনো কাজ করতেছে, তারা এখনো ফ্রীডম হইতে পারে নাই,তারা তাদের সপ্ন গুলি এখনো পুরন করতে পারে নাই ,তাহলো আমি ২০ বছর পরে এসে কিভাবে সম্ভব, মাএ ৫৪০ রিয়াল বেতনে,তাই ওই ভাই এর কথায় অফিসে আসলাম, Dxn marketing plan দেখলাম,, দেখে বুঝলাম এই কম্পানি আমাকে তার অংশীদার হিসাবে ২% লাভাংশ দিবে,,তার মানে নিজে একটি ইন্টারন্যাশনাল  

  কোম্পানি অংশীদার।


এছাড়া আমার সকাল ৬ টা থেকে ৬ টা পযন্ত আমার কাজ  করতে ও ভাল লাগছিল না। কাজ শেষে প্রচুর অবসর কিন্তু করার মত তেমন কোন কাজ নেই । তখন আমি চিন্তা করলাম আমি আসলে আমার অবসর সময় কে কাজে লাগিয়ে এই কাম্পানিতে বিজনেস শুরু করলাম ২০০৫ সালের অক্টোবর মাসের ৮ তারিখে। এক সময় আমি সিন্ধান্ত নিয়ে আমার একটি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস আইডি করে নিলাম Dxn অফিস থেকে । তখন আমি নিজে একা নিজের সপ্ন পুরন জন্য  বিজনেস  শুরু করি।


শুরুতে কিন্তু চাকরি পাশাপাশি  বিজনেস  হাল ধরতে পারবে না, তাই চাকরি পাশাপাশি বিজনেস করা শুরু করলাম । এছাড়াও ১ মাস বিজনেস করার পর আমার কমিশন আসলো ৬ রিয়াল। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ৬ মাস  চলার পর, আমার সেই জব করা কোম্পানিতে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমিই চাকরি ছেড়ে দিয়ে পুরোদমে Dxn business ফুলটাইম করার মত ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেই। যদি ও ততদিনে বিজনেস আমার আলহামদুলিল্লাহ  অনেক এগিয়ে গেছে । তবে Dxn business ফুল টাইম আসার  পরে আমার আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ২ বছর Dxn business  গুরুত্ব দিয়ে   শুরু করি, এটি মুলতঃ ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক  বিজনেস। এই Dxn business এর মাধ্যমে  সারাবিশ্বে আমার বিজনেস পাটনার  তৈরি করা ও হাজারো প্রবাসীও বেকার যুবক কে একজনইন্টারন্যাশনাল বিজনেসম্যান হিসাবে গড়ানো ছিলো  আমার মূল  লক্ষ্য।


প্রশ্নঃ ৩। নতুন বিজনেস পাটনার   নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?


উত্তরঃ নতুন বিজনেস পাটনার   তৈরির জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের নতুন উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। নতুন লিস্ট তৌরি করছি, বিশ্বের প্রায়ই ২০০ দেশের    নতুন বিজনেস পাটনার   নির্বাচন করেছি এবং তাদের জন্য অনলাইনে zoom meeting  মাস ব্যাপী কোর্স চালু করেছি। এসব বিজনেস পাটনার দের কে   সকল রকমের সহযোগিতা করা এবং তাদের বিজনেস কে ও তাদের টিম কে   দাড় করিয়ে দেয়ার জন্য যা যা করার আমি তা চেষ্টা করব। আমি মনে করি এই Dxn business  এই সিস্টেম  আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। এখন আমার কাজ আমার বিজনেস পাটনার সফল করার পালা,, 


প্রশ্নঃ ৪। বাংলাদেশে উদ্যোক্তা তৈরী হওয়ার পথে প্রধান সমস্যাগুলো কী কী?


উত্তরঃ প্রথমত মানুষের থাকতে হবে অদম্য ইচ্ছাশক্তি। এরপর আরেকটি হলো নিজের প্রতি বিশ্বাস । আমি মনে করি বাংলাদেশে অনেক    ঝুঁকিপূর্ণ প্রজেক্ট  ও  কম্পানি আসার পরে তারা গ্রাহক কে টাকা পয়সা না দিয়ে, হাজারো মানুষ কে পথে বসিয়ে দিয়েছে, যার কারনে এই সিস্টেম থেকে মানুষ এর ভরসা উঠে গেছে,,কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ ২০০১ সাল থেকে শুরু করে,, আজ ১৯ বছর আমরা এই Dxn business বাংলাদেশ শুুনাম এর সাথে প্রোডাক্ট নিয়ে বিজনেস করে যাইতেছি,, এবং ইন্টারন্যাশনাল ভাবে আমাদের যাএা ১৯৯৩ সাল থেকে, আজ ২৭ বছর আমরা বিশ্বের ২০০ দেশ + বিজনেস করতেছি,প্রোডাক্ট নিয়ে,,তাই আমি বাংলাদেশ এর সকল তরুণ তরুণী ও সকল মানুষ কে মেসেজ দিতেছি,আসেন আমাদের সাথে Dxn এর


https://www.dxnarabia.com/pws/819584537

 সাথে আপনার সকল সপ্ন পুরন করার জন্য Dxn আপনার সাথে আছে,,এইখানে সম্পুর্ন প্রোডাক্ট বিজনেস,, কারে থেকে টাকা নিয়ে জমা রাখার বিজনেস না এইটা,,কেনো ইনবেস্ট এর প্রয়োজন নাই আপনার এইখানে,   নির্বাচিত উদ্যোক্তাকে সহজ শর্তে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রোডাক্ট বিক্রি করেন,টিম ও নেটওয়ার্ক তৈরী করেন,,


প্রশ্নঃ ৫। উদ্যোক্তাদের সফল না হওয়ার পিছনে প্রতিবন্ধকতাগুলো কী কী?


উত্তরঃ অনেক উদ্যোক্তাই সফল হতে পারেন না, এর পিছনে প্রধান কারণ হল- লেগে না থাকা। এছাড়া অনেকে যে কাজটা জানেন না, বুঝেন না এবং পারেন না, অন্যকে দেখে লোভে পড়ে সেই কাজ করার চেষ্টা করা। দ্রুত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে বার বার লক্ষ্য পরিবর্তন করা উদ্যোক্তাদের সফল না হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।


প্রশ্নঃ ৬। নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে শিক্ষাব্যবস্থায় কী কী পরিবর্তন আনা উচিত?


উত্তরঃ একটা সময়ে স্কুলে অলিখিত একটা নিয়ম ছিল যারা ভাল ছাত্র তারা সবাই বিজ্ঞান বিভাগে পড়বে। অর্থাৎ তারা ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার  হবে। যারা গড়ে ৪০—৫০ নম্বর পেতেন ও ইংরেজিতে ফেল করতেন তারা বাণিজ্য বিভাগে পড়বে অর্থাৎ তারা ব্যাংক/অফিসের হিসাব নিকাশের চাকরি করবে। আর যাদের একমাত্র আশা ভরসা বা স্বপ্ন ৩৩ নম্বর, তারা মানবিক বিভাগে পড়বে অর্থাৎ সরকারী চাকরি করবে বা স্কুল কলেজে মাস্টারি করবে। বলে দেয়ার কেউ ছিল না যে তাদের আসলে কী করা উচিত বা কী পড়া উচিত।


বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং ধীরে ধীরে টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের প্রসারের কারণে এই ধারণা বদলেছে। এখন মেধাবীরা শুধু ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার না, তারা চার্টার্ড এন্ড কস্ট একাউন্ট্যান্ট, এম বি এ, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি পড়ছে। তরুণরা এখন নিজেরাই নানা রকম তথ্য এনালাইসিস করতে পারছে কোথায় তাদের পড়া উচিত। বাবা মা’রা-ও তাদের সিদ্ধান্ত সন্তানদের উপর চাপিয়ে দেয়ার প্রবণতা কমিয়েছে।



 


কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের দেশে সবাই হুজুগে দৌড়ায়। এক একবার একেকটার জোয়ার আসে তো সবাই সেটাতে গা ভাসিয়ে দেয়। শিক্ষা বাণিজ্যিকরাও সেই সুযোগটা লুফে নেন। ২-৪ টা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি বাদ দিলে বাকি ইউনিভার্সিটিগুলোর মান নিয়ে কথা নাই বা বললাম। এত বিবিএ এম বি এ দিয়ে হবেটা কী? কারা চাকরি দিবে, কোথায় চাকরি পাবে আমাদের তরুণরা! যে ছেলেটা বা মেয়েটা ক্রিকেট খেলবে, গান করবে, অভিনয় করবে, ফটোগ্রাফার হবে, বড় শেফ হবে, ডিজাইনের কাজ করবে, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট করবে, হোটেলে কাজ করবে, মারচেন্ডাইজিং এর কাজ করবে, আধুনিক কৃষি ভিত্তিক কাজ করবে –সে কেন বিবিএ এমবিএ বা ভূগোল পড়বে! খেলা, গান, ডিজাইন, ফটোগ্রাফি, মারচেন্ডাইজিং সহ এই সকল বিষয়ের উপর তারা গ্র‍্যাজুয়েশন করবে, প্রয়োজনে মাস্টারস করবে।


দরকার এস এস সি এর পর থেকেই কারিগরি শিক্ষা। যারা গত ১৫-২০ বছরে শত শত প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি বানিয়ে এম বি এ ও বি বি এ সার্টিফিকেট বিক্রয় করেছেন এবং আমাদের তরুণরা সেই সনদ দিয়ে কোন চাকরী বা উদ্যোক্তা হতে পারেনি। তাদের অনুরোধ করব আপনারা এবার কিছু আধুনিক কারিগরি কলেজ/ইউনিভার্সিটি বানান যাতে আমাদের মেধাবী ও কর্মঠ তরুণরা এস এস সির পর থেকেই হাতে কলমে কাজ শিখতে পারে ও ঐসকল বিষয়ে প্রয়োজনে ডিগ্রি নিতে পারে।


এক্ষেত্রে সরকারের শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন প্রয়োজন ও নতুন নীতিমালা দরকার।

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর উপর ক্লাস করানে নিয়ে,,সব কিছুতে পরিবর্তন প্রয়োজন, 


 যদি ও আমাদের দেশে বেশ কিছু পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট আছে, ঐগুলোর মান এবং সিলেবাস বর্তমান সময়ে একেবারেই অচল। যদি ঐগুলোকে ব্যবহার করে ও আমাদের লাখ লাখ দেশ প্রেমিক শ্রমিকদের বিদেশে পাঠানো যেত, তবে তারা এখানকার চেয়ে ২-৩ গুণ বেশি আয় করতে পারতো। আমাদের তরুণরা বিদেশের হোটেলের রুম সার্ভিসের কাজ না করে ম্যানেজার হতো।

সার্টিফিকেট বানানোর শিক্ষা নয়, দরকার কাজ শিখার শিক্ষা। তাই বলবে,,শিক্ষার পাশাপাশি এই Dxn business কে সাথে রাখুন আর আন লিমিটেড ইনকাম করুন,


প্রশ্নঃ ৭। আপনার কাছে সফলতার মানে কী?


উত্তরঃ মানুষ এখন সফলতার পেছনে এমন ভাবে ছুটছে, যে অনেকেরই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন থেকে সুখ জিনিসটা দিনে দিনে দূরে সরে যাচ্ছে। আমার মতে সকল সুখী মানুষই সফল, কিন্তু সকল সফল মানুষ সুখী নয়। সফলতার মানে হচ্ছে সুখে থাকা, একজন ভাল মানুষ হওয়া এবং এমন কিছু করা যা অন্য একজনকে সুখী করতে পারে। সুখেই সফলতার সার্থকতা। আর আলহামদুলিল্লাহ আমি এই Dxn সিস্টেমে আমি আজ ৬৮০০০ মেম্বার তৈরি করছি যারা আজ অনেকে সফল, এবং সুখী আর তাই তাদের সুখী আজ আমার সফলতার সার্থকতা,


প্রশ্ন ০৮। কোন ৩ টি কারনে আপনি Dxn ইন্টারন্যাশনাল সিস্টেমে এসে  আপনি গর্ববোধ করেন?


উত্তরঃ ১//। আমার Dxn ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সিস্টেমে আমার সঙ্গে আরও ৬৮০০০ জন মানুষ বিজনেস করে এবং তাদের পরিবার এর সপ্ন গুুলি পুরন  করে ।

 

এবং আমার এই Dxn business সিস্টেমে সারাবিশ্বে ১০ মিলিয়ন এর বেশি মানুষ বিজনেস করে,আর তার একজন পাটনার হতে পারা 


এবং  যে কোন প্রয়োজনে সবার অভিভাবক আমি। এতগুলো পরিবারের মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পেরে আমি গর্ববোধ করি।


২//। ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসম্যান  হওয়ার কারণে তরুণ তরুণী দের কে সপ্ন দেখানোর  সুযোগ পাই।


৩// উদ্যোক্তা হয়েছি বলেই আজ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারি। কর্মক্ষেত্রে আমাকে হুকুম করার কেউ নেই।


প্রশ্নঃ ০৯। তরুণদের উদ্দেশ্যে আপনার দেয়া দিকনির্দেশনা কী কী?


উত্তরঃ কঠোর পরিশ্রমের কোন শর্টকাট নেই। ২১ থেকে ২৮ বছর পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। ক্যারিয়ার এর প্রত্যেকটি ধাপেই সততা বজায় রাখতে হবে। সত্য কথা বলতে হবে। সত্য কথা বলার একটা বড় উপকার হল আগেরবার কী বলেছেন তা মনে রাখতে হয়না। অসাধু ব্যক্তি সাময়িকভাবে সফল হতে পারে, কিছুদিনের জন্য এগিয়ে থাকতে পারে, তবে দিন শেষে সৎ লোকেরাই শেষ হাসি হাসে।মন দিয়ে ৩ থেকে ৫ বছর Dxn business মন দিয়ে এই সিস্টেম এর সাথে লেগে থাকুন,,সফল আপনি হবেন,,যদিও একটু দেরি হোক, 


(১০) বিস্তারিত 


আলহামদুলিল্লাহ 

Dxn কোম্পানি কতটা বিশ্বস্থ এবং স্ট্রং সিস্টেম। যা কিনা একজন সাধারণ লোক ( Alauddin T Sumon ) থেকে অসাধারণ হয়ে গেলো, উনি ১৫ বছর আগে প্রবাসে থাকা কালিন সময়ে কাজের পাশাপাশি Dxn এর সাথে জয়েন হন, এবং জয়েনের ৬ মাস পরেই Dxn এ ফুলটাইমে চলে আসেন, এরপর মাত্র ২ বছর Dxn এ একটু কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে একটা স্ট্রং টিম তৈরী করে নির্ভরযোগ্য ইনকামের রাস্তা তৈরি করে নিজের স্বদেশে ফিরে আসেন। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি। বাকি এই ১৩ বছর পরিবার পরিজনের সাথে সময় দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় ২০ টার বেশি দেশে ভ্রমণ করেন আসেন এবং ১০০% হেলথ ফ্রীডম, টাইম ফ্রীডম এবং ফাইনালশিয়াল ফ্রীডম লাইফ উপোভোগে আছেন।


আপনার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা ও শুভকামনা রইল লিডার। আল্লাহ আপনাকে দীর্ঘ হায়াত দান করেন। আমীন।।।।



পরিচয়,, 

নাম,//, আলাউদ্দিন সুমন 

বাড়ি,,// লক্ষীপুর জেলায় 

পদবি,//, একজন Dxn ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসম্যান,,,  Gold Diamond 

 বর্তমান অবস্থায়,//, ঢাকা 

লাইফ স্টাইল,//, ফ্রিডম লাইফ ইনজয় ২০০৭ সালে থেকে 

বিদেশ ভ্রমণ,,//, ২০ টা দেশের উপরে,,ফ্রী ভাবে পরিবার সহ,,একাধিক বার

বিশ্ব পরিচিতি,//,,একজন ইন্টারন্যাশনাল স্পিকার, একজন Dxn great leader.একজন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসম্যান

Dxn business সাথে,,// ১৫ বছর আজ সম্পুর্ন হলো ২০০৫ সাল থেকে শুরু যাএা



আমার পরিচয়,, 

নাম,,মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন 

বাড়ী,,লক্ষীপুর জেলায় 

পদবী,,dxn সিস্টেম এই একজন ইন্টারন্যাশনাল STAR Diamond 

Dxn business এর সাথে,,,গত এক বছর ৫ মাস থেকে

হইতে চাই আলাউদ্দিন সুমন স্যার এর মতে

যোগাযোগ,, +966565084927

https://www.dxnarabia.com/pws/819584537

https://www.dxnarabia.com/pws/819584537

Post a Comment

0 Comments