Ticker

6/recent/ticker-posts

জীবন বাচাঁতে লাল মাশরুম

জীবন বাচাঁতে লাল মাশরুম






সৃষ্টিকর্তার হাজারও রহস্যে ঘেরা সৃষ্টির মধ্যে বিরল কিছু সৃষ্টি, শুধুই সৃষ্টির সেরা জীব মানব স্বাস্থ্যের কল্যাণে নিহিত রয়েছে অন্তকাল ধরে। সৃষ্টিকর্তার ও প্রকৃতির আর্শীবাদ পুষ্ট এমনি এক বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ লাল মাশরুম বা গ্যানোডার্মা লুসিডাম। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই প্রাচীনকাল থেকে মাশরুম পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও জনপ্রিয় খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের মাশরুমের নাম ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিরুপ ধারণা থাকার কারণে অনেকেই মাশরুমকে খাদ্য তালিকায় রাখছেন না।মাশরুম আসলে উচ্চশ্রেণীর অন্তরগত এক ধরণের ছত্রাক গোত্রীয় সম্পূরক খাদ্য। তাই সম্পূর্ণ নিরাপদ খাওয়ার উপযোগী। ছত্রাকের বংশবিস্তারের জন্য যে ফলটি হয় তাকেই মাশরুম বলে। আর খাবারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী বা বিষাক্ত ছত্রাককে টোডষ্টুল বা ব্যাঙের ছাতা বলা হয়।
হাজার বছর পূর্বেও এ উপমহাদেশে রাজকীয় খাদ্যের তালিকায় মাশরুমের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানা যায়। গ্রিকরা মাশরুমকে যোদ্ধাদের শক্তিবর্ধক খাবার হিসেবে মনে করতেন। রোমানরা একে ঈশ্বরের খাবার বলে। আরবের বাদশাহ গণের নিকট মান্না ওয়াস সালওয়া বলা হয়। সেখানে রাজকীয় খাদ্য তালিকায় মাশরুমের ভিন্ন চাহিদা রয়েছে।
আরবের প্রাচীন ইতিহাসে এবং পবিত্র কোরআন ও বোখারী শরীফ হাদিসের ভাষ্যমতে তারা মান্না ওয়াস সালওয়া কে চোখের রোগের শেফা হিসেবে ব্যবহার করে এবং খায়। বাইবেল ও বেদ ধর্ম গ্রন্থেও মাশরুম আধ্যাতিক বা পবিত্র খাবার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আর চাইনিজরা একে বলে লিংঝি এবং দীর্ঘ জীবন লাভের খাবার হিসেবে গণ্য করে। আধুনিক বিশ্বে সব ধর্মাবলম্বী মানুষই মাশরুমকে অত্যন্ত উৎকৃষ্ট মানের ঔষধী গুণসম্পন্ন সবজী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশেও মাশরুমের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
দীর্ঘদিন সুস্থ ও রোগমুক্ত থাকার জন্য সবার উচিত চর্বি, চিনি ও লবণ কম খাওয়া এবং আঁশ জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া। এ ক্ষেত্রে মাশরুম একটি আদর্শ খাবার। বিভিন্ন রোগব্যাধিতে মাশরুমের ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। আসুন জানা যাক বিভিন্ন রোগে মাশরুমের উপকারিতা কি কি ঃ
গ্যানোডার্মা বা লাল মাশরুম হচ্ছে একটি উন্নত জাতের ঔষধী গুণ সম্পন্ন বিলুপ্ত প্রজাতির মাশরুম যা আফ্রিকা, আমেরিকার গহীন জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করে উঢঘ কোম্পানী মালয়শিয়াতে চাষ ও উৎপন্ন করে থাকে। গ্যানোডার্মা বা লাল মাশরুমের মূল কাজ হচ্ছে ৩টি- ১। আমাদের দেহের জীবকোষ (যা আমাদের বাঁচিয়ে রাখে) সেল এর বাহ্যিক ও অভ্যন্তরিণ সমস্ত ট্রক্সিন (বিষ) পরিস্কার করা। ২।

আমাদের দেহের কোষ (সেল) এর ইমব্যালেন্স দুর করে সমতায় ফিরিয়ে আনা। ৩। আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে স্থায়ীভাবে রোগমুক্ত ও শক্তিশালী করে তোলা। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের দির্ঘ গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে যে একজন সুস্থ মানুষ অসুস্থ হওয়ার মূল কারণ উপরোক্ত তিনটি এবং খাদ্য অভ্যাস। তাই একজন মানুষ আজীবন সুস্থ রোগমুক্ত থাকার জন্য মাশরুম প্রধান ভূমিকা রাখে।
এছাড়াও
১. মাশরুমে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও মিনারেলের এমন সমন্বয় রয়েছে যা শরীরে “ইমিউনিটি সিষ্টেমকে” উন্নত করে। ফলে গর্ভবর্তী মা ও শিশুরা নিয়মিত মাশরুম খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি হয়।
২. মাশরুম চর্বি ও শর্করা কম থাকায় এবং আঁশ বেশি থাকায় এটি ডায়াবেটিস রোগীদের আদর্শ খাবার।
৩. মাশরুমে রয়েছে শরীরের কোলেস্টেরল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন, লোভাস্টটিন এবং এনটাডেনিন। তাই নিয়মিত মাশরুম খেলে হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ থেকে মুক্ত থাকা যায়।
৪. মাশরুম আছ প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন ডি,যা শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে অত্যন্ত কার্যকর।
৫. মাশরুমে আছে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড ও লৌহ। ফলে মাশরুম খেলে রক্তশূণ্যতা দূল হয়। এছাড়া লিংকজাই-৮ নামক পদার্থ থাকায় এটি হেপাটাইটিস- বি জন্ডিসের প্রতিরোধক।
৬. মাশরুমে আছে বেটা-ডি, গ্লকেন, ল্যাম্পট্রোল, ট্রাইটারপিনওয়েড ও বেনরজাপাইরিন। যা ক্যান্সার ও টিইমার প্রতিরোধ করে।
৭. মাশরুমে ট্রাইটারপিন থাকাতে, বর্তমানে বিশ্বে এটি এইডস প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৮. মাশরুমে ইলুডিন এস থাকাতে আমাশয়ের উপকারী।
৯. মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে গ্লাইকোজেন থাকাতে শক্তিবর্ধক হিসেবে কাজ করে। তাই যৌন অক্ষম রোগীদের জন্য মাশরুম একটি মহৌষধ।
১০. মাশরুমে এডিনোসিন থাকাতে এটি ডেঙ্গু জ্বরের প্রতিরোধক।
১১. মাশরুমে স্ফিঙ্গলিপিড এবং ভিটামিন বি-১২ বেশি থাকায় নার্ভ ও স্পাইনাল কর্ড সুস্থ রাখে। মাশরুম খেলে উচ্চ রক্তচাপে দূর হয়, মেরুদন্ড দৃঢ় থাকে।
১২. এত প্রচুর পরিমাণে এনজাইম আছে, যা হজমে সহায়ক, রুচিবর্ধক ও পেটের পীড়া নিরাময়ক।
১৩. এতে নিউক্লিক এসিড ও এন্টি এলার্জেন থাকায়, কিডনি ও এলার্জি রোগের প্রতিরোধক।
১৪. মাশরুমে প্রচুর পরিমাণ সালফার সরবরাহকারী এমাইনো এসিড থাকায় নিয়মিত প্রহণে চুল পড়া ও চুল পাকা প্রতিরোধ করে।

এছাড়াও মাশরুমে যথেষ্ট পরিমাণে আঁশ থাকায় শরীর স্লিম রাখার জন্য অত্যন্ত উপকারী। যারা শরীরকে স্লিম ও কর্মক্ষম রাখতে চান তাদের নিয়মিত মাশরুম খাওয়া উচিত। খাদ্য হিসেবে মাশরুম অতুলনীয়। চীনা রোমানেরা চিত্রকলা ও খাদ্য এ দুটো ক্ষেত্রেই তাদের উৎকর্ষের পরিচয় দিয়েছিলেন। রোমানদের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ ভোজন অনুষ্ঠানে মাশরুমের তৈরি খাবার বিশেষ ধরনের মূল্যবান পাত্রে পরিবেশন করা হয়। মাশরুম প্রোটিন সমৃদ্ধ সবজি।
অনেকেই তাই মাশরুমকে সবজি মাংস হিসেবে অভিহিত করেছেন। তুলনামূরকভাবে বেশি প্রোটিন এবং কম ক্যালরি থাকায় হৃদরোগীদের জন্য মাশরুম একটি উত্তম থাবার। প্রতি ১০০ গ্রাম শুকনো মাশরুমে ২০ -৩০ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। সারা বিশ্বে এ পর্যন্ত যত বলবর্ধক খাদ্য আবিস্কৃত হয়েছে মাশরুম তার মধ্যে অন্যতম। শোনা যায় গ্রিক সৈন্যদের বলবর্ধক খাদ্য হিসেবে মাশরুমের তৈরি স্যুপ খাওয়ানো হতো সেই প্রাচীনকালে। মাশরুম শুধু খাদ্যই নয়, এর মধ্যে রয়েছে চমৎকার একটি ওষুধি গুণ। মাশরুম সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে। (ক) টক্সিন মাশরুম (খ) ভেজিটেবল মাশরুম (গ) মেডিসিনাল বা ওষুধি গুণসম্পন্ন লাল মাশরুম।
জাপানে গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুম রিশি গ্যনো নামে পরিচিত। জাপানে কোমামোটো নামক স্থানে একটি গ্যানোডার্মার সংগঠন রয়েছে যা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই এলাকার বাসিন্দরা গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুম উৎপাদন করে নিজেরা প্রক্রিয়াজাত করে খাওয়ার জন্য। ফলে দেখা গেছে ওই এলাকায় যারা সারা বছর প্রক্রিয়াজাত গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুম খেয়েছেন তাদের ডাক্তারের কাছে যাওয়া অর্ধেক কমে গেছে।
১৯৮০ সাল থেকে জাপান সরকার মাশরুমের তিনটি নির্যাস ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য অনুমোদন করেছে। তিন ধরনের নির্যাস তিনটি জাত থেকে তৈরি হয়। জাত তিনটি হলো রিশিগ্যানো, সিটাকে কাউয়ারাটাকে। নির্যাসগুলো ক্যান্সার নিরাময়ে সম্পূরক খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক শহরে গ্যানোডার্মা আন্তর্জাতিক গবেষণা ইনস্টিটিউট (জিআইআরআই) প্রতিষ্ঠিত রয়েছে এখান থেকে গ্যনোথেরাপির উপর উচ্চতর ডিগ্রি বা পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।।
এ ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে গ্যানোডার্মা মাশরুম থেকে এইডস রোগের প্রতিষেধক উদ্ভাবনের লক্ষ্যে গবেষণা চলমান আছে। গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুমে বিদ্যমান কার্যকারী উপাদানগুলো সুস্থ এবং অসুস্থ উভয় শ্রেণীর মানুষের শরীরে সম্পূর্ণরূপে সম্পৃক্ত হয়ে যায় কোনো প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া। এককভাবে এ কারণের জন্যই গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুমকে অ্যাডাপটোজেন নামে অভিহিত করা হয়েছে। মাশরুমের এ ধরনের গুণাগুণের জন্য মহাশূন্যে গমনকারী মহাকাশচারীরা গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুম থেকে প্রস্তুত খাদ্যসামগ্রী সাথে নিয়ে যায়।
গ্যানোডার্মা লুসিডাম দুটি ল্যাটিন শব্দের সমন্বয়ে একটি প্রজাতির নাম। একটি ছত্রাকের নাম। ছত্রাক হলো একটি অসবুজ উদ্ভিদ। গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির ছত্রাক হলো মৃতজীবী ছত্রাক যার উদাহরণ হলো মাশরুম। গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুমের প্রথম চাষ শুরু করেন টি হেননি ১৯৩৭ সালে। জাপানের কিয়োটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ইউকিও ন্ওাই এবং ড. জেনজাবুরো কাসাই ১৯৭১ সালে অধিক পরিমাণে গ্যানোডার্মা উৎপাদন করেন। এরপর দীর্ঘ সাধনার পর গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুম বৈজ্ঞানিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়। মালয়েশিয়ার ০৫৪০০ এলর সেতার কেদাহ দারুল আমান নামক স্থানে ছত্রাকবিদ দাঁেতা ড. লিম সিও জিং এর তত্ত্বাবধানে গ্যানোডার্মা লুসিডাম উৎপাদন শুরু করেন।
গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুমে মোট ৬১ টি পলিস্যাকারাইড রয়েছে। এর মধ্যে ৫০টি পলিস্যাকারাইড ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুমে প্রাপ্ত পলিস্যাকারাইড বিটা ডি গ্লুকান টাইপের হয়। বিটা ডি গ্লুক্যান টাইপ হওয়ার কারণে এ পলিস্যাকারাইড ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ইমিউনোগ্লোবিউলিন জি এর পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
মানুষের রক্তে সিরামে বিদ্যমান ইমিউনোগ্লোবিউলিন জি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ দূর করে শরীর থেকে। ব্যাকটেরিওস্ট্যাটিক (ব্যাকটেরিয়া রোধক) হিসেবে কাজ করে। স্ট্রেপটোকক্কাস, স্ট্রাফাইলোকক্কাস, নিউমোনিয়া ব্যাসিলাস প্রতিরোধ করে। তা ছাড়া অ্যান্টিভাইরাল হিসেবে কাজ করে থাকে লাল মাশরুম। গ্যানোডার্মা লুসিডাম ইমিউনোস্টিমুলেন্ট হিসেবে কাজ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখে। তাই এটি হতে পারে স্বাস্থ্য, সম্পদ ও সুখের জন্য সঠিক পছন্দ এবং গ্যানাডার্মা ছত্রাকের জগতে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ অবস্থান দখল করে আছে।
এটি ভেষজ গুণ সম্পন্ন এক অনন্য সাধারণ মাশরুম। উদ্ভিদ বিজ্ঞানের ক্রমানুসারে এটি চড়ষুঢ়ড়ৎধপবধব উচ্চ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। চীনা ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে এর রয়েছে প্রায় ২০০০ বছরের সমাদর, এর ব্যবহার হতো শিল্পকর্মে, ভাস্কর্যে, রেশম কার্যে এবং স¤্রাটদের মূল্যবান পরিচ্ছদ প্রস্তুতে। গ্যানোডার্মার বিভিন্ন জাতের মধ্যে রয়েছে ২০০ এর বেশি ভেষজ কার্যকর উপাদান। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ও আধুনিক গবেষণায় জানা যায় যে, শরীরের স্বাভাবিক ও অসুস্থ উভয় অবস্থাতেই গ্যানোডার্মার সার্বিক উন্নতি ও দীর্ঘায়ু যোগান দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে।
অল্প কথায় বলতে গেলে, গ্যানোডার্মা বা লাল মাশরুম প্রাকৃতিক শক্তি যোগায়, শরীরের অভ্যন্তরে দেখা শুনা করে, ফ্রি র‌্যাডিক্যালগুলোতে পুষ্টি যোগায়, বিষাক্ত পদার্থগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অক্সিজেন যোগায়, শরীরবৃত্তিয় কাজগুলোতে স্থিরতা আনে এবং অস্থিতিশীলতাগুলোকে অকার্যকর করে। তাই এটি সর্বাধিক সমাদৃত জীবন বাঁচাতে অতুলনীয়। লেখক ঃ গ্যানোথেরাপিষ্ট, ইন্টারন্যাশনাল ডিস্টিবিউটর ইন এসএ, ডিএক্সএন মাকেটিং এন্ড ফার্মাসিউটিক্যালস এসডিএন,বিএইচডি মালয়েশিয়া।

Post a Comment

0 Comments